অভিজিৎ দাসকর্মকারের তিনটি কবিতা--
#ঢলঢলে চামড়ার জ্যামিতিতে
সু-লতানো শরীরে ওষুধগুলো দুপুর দুপুর হাসপাতাল সেজে দাঁড়িয়ে তার উপর অক্সিজেন সিলিণ্ডারের ভিতরে ইলেকট্রনভাঙা শুরু হয়েগ্যাছে গত বুধবার রাত থেকে অসম্ভব কষ্ট অথচ গ্রাভিটির সাথে পাল্লা দিয়ে প্রেসক্রিপশনের গতরে অক্ষরেরা কারখানা গজিয়ে তুলেছে ঢলঢলে চামড়ার জ্যামিতিতে আর চশমার ডার্ক সার্কেলে আপত্তিকর ভাব বিমিময় এবং সেলাইনজলে টলটলে পটাশিয়ামের মন্দ দুলুনি নদীর পাশপাড় দিয়ে মুষড়ানো হলুদরঙে বইছে তা-বোলে এর সাথে কালকের নোঙরা জিনসের ডিটারজেন্টে চোবানোর কোনো সম্পর্ক নেই
কারণ পায়ের সাথে হাঁটার সম্পর্কে যেমন ১টা চালাকি থাকে ঠিক
তেমনই বেডের সাথে কম্বল চাপা অ্যান্টিবায়োটিক ভাবে তাকিয়ে থাকে ভিজিটিং সময়গুলো আর কেবিনের পাশে বোতাম খুলেই উগরে দিচ্ছে সচেতনতার নামে হাস্যস্কর এম বি বি এস বুদ্ধি __
*
#এপাড়ের আরাম কা মামলা ___
অভিজিৎ দাসকর্মকার
দূরবর্তীতে সমস্ত কবিতার লাইন নিজস্ব পটরিতে টেম্পোহীন দাঁড়িয়ে কাঠমিস্ত্রীর সাথে ১পশলা রোদেল বর্ষা সাজিয়ে বসেছে কিন্তু বসা আর ইচ্ছের মাঝে তখনো হেয়ারপিন খোলা আর ব্রা-হীন উচ্ছ্বলতা সমস্যা বাড়িয়ে মেলে ধরা রয়েছে আঁচলের নবমীতে সেজন্য ঔপনিবেশিক জানালার ফাঁক থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছে চোখের আন্দর কি বাত্ তারসাথে এপাড়ে আরাম কা মামলার পিঠে তখন অনেক দিনমজুরি চেপে গ্যাছে এবং ভারি ভারি অনিহাগুলো দূরের খামারতলায় বেওয়াক্ত শুখ নিচ্ছে আর
নদীছায়া আলি আকবর হয়ে বইছে খড়খড়ে নুড়ি সরিয়ে যদিও নদীর আদরে বৈষ্ণব সাহিত্য এবং বিশেস্যের কোমরে গোঁজা যাওয়ান নাভির উঁকিতে উঁকিতে অক্ষরবৃত্ত হাসি এখন ১ অসমাপ্ত পাওয়াগুলোর সাথে আরও ১টু রাত মিশিয়ে পেরিয়ে আসছে নার্ভাস আমেজ তবুও কোনো ১ দুপুরে সংখ্যার ফুটো ফুটো চিৎকারে লাফ দিয়ে মিলিয়ে যাবে শব্দ আর কলমের অসুখ____
*
#পাশ ফেরা বালিশের কার্ণিশ ধরে
অভিজিৎ দাসকর্মকার
এক , ১টি টানটান রাস্তার আষাঢ়ে দোভাষী ছায়া কখনো আলোর বিপরীতে ভাগ চিহ্নে আবার কখনো নজরের নমনীয়তায় বিয়োগ চিহ্নে ভাঙছে যদিও বামদিকের পকেটে অসম্ভব অথচ অপরিচিত যন্ত্রণাগুলো বয়স্ক হয়ে পড়ায় নিজের গিরেবাঁর সবকটি বোতাম খুলতেই ঝাঁপিয়ে আসছে কৃতজ্ঞতা বোধ আর অসভ্যের মতো বুকের ভিতর শান্ত বৃষ্টিচ্ছায়া অঞ্চলে যেভাবে গালিগালাজ চলছে তাই চশমার কোনায় আর্দ্রতা নেমে এসেছে আর এই ঐতিহাসিক পিঠচুলকানিতে মনোকষ্ট অনেকটাই লঘু এবং জলীয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়েছে কিছু লুঙ্গি না পরা ভরসার কেষ্ট বিষ্টু চরিত্র তাহলে আসুন একটু আয়ুর্বেদিক ভাবে ভাবি আর ১টা নীরবতা কে অতিক্রম করার জন্য যতটা অক্সিজেন এবং জুলাই মাসের হাইড্রোজেন মেশানো শৈত্য দ্রাব্যে কতটা বাজার করা বা কতটা নিরাপদ কথাবার্তা অথবা কতটা বিকল্প নিয়তি এমনকি কতটা ফাটলজুড়ে শরীরে শরীর নিয়ে তার মাথাভাঙা গণিত পাশ ফেরা বালিশের কার্ণিশ ধরে প্রবলভাবে হেঁটে চলেছে তাই চা খেতে খেতে দেখি__
অভিজিৎ দাসকর্মকার
সম্পাদক ~সাপ্তাহিক ব্ল্যাকহোল ওয়েবজিন
বিষ্ণুপুর|বাঁকুড়া|কলেজরোড |৭২২১২২|
saptahikblackholewebzine@gmail.com
No comments:
Post a Comment